বগুড়া লকডাউন মানছে না জনসাধারণ।

করোনা ভাইরাসে সংক্রমণের হুমকির মুখে পড়ে যেতে পারে বগুড়া শহর। সরকারি নির্দেশ উপেক্ষা করে কিছু সংখ্যাক মানুষ বাড়ি থেকে বের হয়ে আসছেন। অপ্রয়োজনে বাহিরে এসে পাড়া মহল্লায় আড্ডায় দিচ্ছে। অনেকেই আবার শহর ঘুরতে বের হচ্ছেন। পুলিশসহ আইন শৃংখলা বাহিনীর অনুরোধ মানছে না অনেকেই। সোমবার লক ডাউনের প্রথম দিনে বগুড়া শহরে অনেক লোকের সমাগম দেখা যায়। নিত্য প্রয়োজনীয় কাঁচা বাজার খোলা থাকায় এ ভিড় আরো বেড়ে যায়। সকাল ৬টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকলেও বাজারে দ্রব্যের দাম কমেনি।

জানা যায়, ২০২০ সালে সারা দেশের মত বগুড়াতেও এপ্রিল মাসে করোনাভাইরাসের কারণে লকডাউনে চলে যায়। লকডাউনের পর আক্রান্ত সংখ্যা কমে যায়।  লকডাউনের  অধিকাংশ জনগণই ঘরে ছিল না । তবে কিছু সংখ্যাক মানুষ শহরে দেখা যায়। নিজের প্রয়োজন মেটাতে তারা বেরিয়ে ছিল বলে জানিয়েছেন।

দিনে লোকজন দেখা গেলেও সকল বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, মার্কেট, বিপনী বিতান বন্ধ ছিল। শহরে খুব কম সংখ্যাক দোকান পাট খোলা ছিল। ওষুধ ও জরুরি পণ্যেল দোকান ছাড়া দোকান খোলা ছিল না। অধিকাংশ মানুষ ঘর বন্দি হয়ে আছে। খাবার ক্রয়, বাজার করা, ওষুধ ক্রয় করার বিষয়টি ঠিক থাকলেও অনেক তরুণকে শহরের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে দেখা গেছে। যাদের মধ্যে করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকতে মাস্ক দেখা গেছে। বগুড়া শহরের তিনমাথা, সাতমাথা, বড়গোলা, কালিতলা, ফুলবাড়ি, মাটিডালি, জলেশ্বরীতলা, নবাববাড়ি সড়ক, চেলোপাড়া, কলোনী এলাকায় বেশ কিছু মানুষ দেখা গেছে যারা অপ্রয়োজনে ঘর থেকে বের হয়েছেন। জেলা শহরের রাস্তায় রাস্তায় বগুড়া সদর থানা পুলিশ, র‌্যাব-১২ বগুড়া ক্যাম্পের সদস্যরা, জেলা প্রশাসন থেকে করোনা ভাইরাস থেকে সচেতন থাকতে ও বিনা প্রয়োজনে ঘর থেকে না বের হতে বিভিন্নভাবে প্রচার প্রচারণা করা হচ্ছে।

বগুড়া শহরের ফতেহ আলী কাঁচা বাজারের ব্যবসায়িদের সাথে কথা বলে জানা যায়, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ, ঢেড়স, করলা, বিক্রি হচ্ছে। তবে এসব পণ্যের দাম কমেনি। আগের চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে বজি।কাাঁচা স

বগুড়া সদর থানার ওসি (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ জানান, করোনাভাইরাসে সকলকে সচেতন থাকতে পুলিশ সদস্যরা হ্যান্ড মাইকে ও মাইকে প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। বিনা প্রয়োজনে কেউ যেন ঘর থেকে না বের হন, সে বিষয়ে জনসাধারণকে বলা হচ্ছে।