টিএমএসএস ও হারভেস্ট প্লাসের উদ্যোগে জিংক ধানের চাল বাণিজ্যিকীকরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

টিএমএসএস ও হারভেস্ট প্লাসের উদ্যোগে ঠেঙ্গামারা বগুড়ায় সংস্থার প্রশিক্ষণ মিলনায়তনে খুচরা ও পাইকারী চাল বিক্রেতা, চাল কল মালিক, মাঠ পর্যায়ের কৃষক বায়োফরটিফাইড জিংক ধানের চাল বাণিজ্যিকীকরণে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল হক।

টিএমএসএস ও হারভেস্ট প্লাসের উদ্যোগে গতকাল রবিবার টিএমএসএস ফাউন্ডেশন অফিস ঠেঙ্গামারা বগুড়ায় সংস্থার প্রশিক্ষণ মিলনায়তনে খুচরা ও পাইকারী চাল বিক্রেতা, চাল কল মালিক, ব্যবসায়ী, মাঠ পর্যায়ের কৃষকদের সমন্বয়ে বায়োফরটিফাইড জিংক ধানের চাল বাণিজ্যিকীকরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল হক। আরও বক্তব্য রাখেন টিএমএসএস এর পরিচালক (চীফ প্রোগ্রাম সেক্টর) মোঃ জাকির হোসেন, যুগ্ম-পরিচালক মোঃ ইকরামুল হক, হারভেস্ট প্লাসের সিবিসি প্রকল্পের সমন্বয়কারী সৈয়দ মোঃ আবু হানিফা, কৃষক বিদ্যুৎ কুমার রায়, ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুর রাজ্জাক প্রমূখ। মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে জিংক ধানের উপকারিতা ও কার্যকারিতা বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন হারভেস্ট প্লাসের বিভাগীয় সমন্বয়কারী,কৃষি গবেষণা ও উন্নয়ন কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ জাকিউল হাসান। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন টিএমএসএস হারভেষ্ট প্লাস এর প্রিন্সিপাল ইনভেষ্টিগেটর মোঃ মাহবুবুর রহমান মিঠু। সভায় জিংক ধান সম্পর্কে অংশগ্রহণকারী সবাইকে ধারণা দেওয়া হয়। কৃষকদের কাছ থেকে জিংক ধান সংগ্রহ, চাল তৈরী,সংরক্ষণ পদ্ধতি,জনগণের কাছে সহজ লভ্য করণ এবং জিংক ধান জনপ্রিয় করতে প্রচার প্রচারণার কলা কৌশলসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়। কৃষি ও খাদ্য কর্মকর্তাগণ জিংক ধানের বীজ মজুদ,চাল বাজারজাত ও যান্ত্রিক সহযোগীতার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
উল্লেখ্য মানুষের শরীরে পুষ্টির চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে জিংক চালের ভাত খাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জিংক মানুষের শরীরের জন্য অতিব জরুরী একটি খনিজ উপাদান। এই ধানের ভাত খেলে মানুষের শরীরে জিংকের অভাব পূরণ হয়। কর্মশালায় জিংক ধানের বীজ ও চাল দেশের বিভিন্ন স্থানে সাধারণ দোকান থেকে জনগণ ক্রয় করতে পারবেন বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানান।